Phone : +88 02 8622835 | E-mail : jtshqfinance@gmail.com

বক্তব্য ও বাণী

মরহুম মঈন উদ্দিন আহমেদ

সাবেক নির্বাহী ভাইসচেয়ারম্যান

হাজী মোঃ শরীফ উদ্দিন

নির্বাহী ভাইসচেয়ারম্যান

যাদের এখনও মনে পড়ে

একতাই বল। এ উক্তিটিকে মাথায় রেখে হাজারীবাগের কিছু বিশিষ্ট সমাজসেবক, সংগঠক ও বিদ্যানুরাগীর প্রচেষ্টায় এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তথা এলাকার পরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, ধর্মীয় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৬৬ সনে প্রতিষ্ঠা করা হয় হাজারীবাগ তরুণ সংঘ। যার প্রতিষ্ঠা সদস্যদের মধ্যে অনেককেই আজ আমরা হারিয়েছি। এর মধ্যে মঈন উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল আজিজ, নিজাম উদ্দিন বাবু, মতিউর রহমান, সালাউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু ও হোসেন মোহাম্মদ সহ অনেক সুধিজনকে। যে সকল বিশিষ্ট ব্যক্তির উদ্যোগে এ প্রতিষ্ঠানটি হাঁটি হাঁটি পা পা করে এ পর্যায়ে এসেছে তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাবেক নির্বাহী ভাইসচেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মরহুম মঈন উদ্দিন আহমেদ। যাঁর শরীরের সমস্ত শিরা-উপশিরায় সার্বক্ষণিক প্রবাহিত হতো এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ, ধর্মীয় সচেতনতা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সুর। এছাড়া তিনি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জাতস কেন্দ্রীয়ভাবে প্যারামেডিক ট্রেনিং সেন্টার চালু করেন। যেখান থেকে অসংখ্য ছাত্রী স্বাস্থ্যসেবা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন।

1
ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস
জাতীয় সংসদ সদস্য, ঢাকা-১২

বাণী

জাতীয় তরুণ সংঘের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে তাদের কার্যক্রম সম্বলিত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করছে জেনে আমি আনন্দিত।

১৯৬৬ সনে হাজারীবাগে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠনাটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের অবহেলিত, হতদরিদ্র ও দুঃস্থ লোকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি যুব সমাজকে বিভিন্ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে যুব নেতৃত্ব প্রশিক্ষণসহ দেশব্যাপী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম, যুব নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, শিক্ষা কার্যক্রম, পানি এবং পয়ঃ নিস্কাশন কার্যক্রম, স্যানিটেশন কার্যক্রম, শিশুদের মেধা বিকাশের কার্যক্রম, মদ ও মাদক প্রতিরোধ কর্মসূচী, রক্তদান কর্মসূচী, বৃক্ষরোপন কার্যক্রম, মত্স্যচাষ ইত্যাদি পরিচালনা করছে। উল্লেখিত কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশ ও জাতি উপকৃত হচ্ছে।

জাতীয় তরুণ সংঘের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন সফল হোক এ কামনা করি এবং এ প্রতিবেদন প্রকাশের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি এ প্রতিষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।

head-659652_960_720
আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফজলুল হক

সাবেক চেয়ারম্যান, জাতস

সাবেক চেয়ারম্যান প্রসঙ্গে

১৯৬৬ সনের ১ অক্টোবর ঢাকার হাজারীবাগে জনাব মাইনুদ্দিন আহমেদ (বড় মাইনু ভাই) এর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা করা হয় হাজারীবাগ তরুণ সংঘ। ঐ সময়ে এলাকার কিছু কিশোর-যুবকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গড়ে উঠে প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৬৬ সনে হাজারীবাগ তরুণ সংঘ নামে প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৭৩ সনে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় তরুণ সংঘ নামে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ যুব ও সমাজকল্যাণমূলক জাতীয় পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। যার সম্পূর্ণ কৃতিত্বের দাবী রাখেন সেই সময়ের এক কিশোর মোহাম্মদ ফজলুল হক। মাত্র ১৩ বছরের কিশোর সাইকেলে সারা দেশ ভ্রমণ করেন। সেই কিশোর পরবর্তীদে তাঁর কৃতকর্ম দিয়ে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ছাত্র জীবন থেকেই এই মেধাবী তরুণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। বিশেষ করে সমাজের অবহেলিত যুব সমাজকে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন সঠিক পথের সন্ধান। প্রতিষ্ঠা করেছেন অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও যুব নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বর্তমান শতাব্দীতে নব নব আবিষ্কার, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির অনেক উন্নতি সাধিত হওয়া সত্ত্বেও দেশের জনগণ এখনও অনেক মৌলিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বিশেষ করে সুশিক্ষা, সুচিকিত্সা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড ইত্যাদি। এহেন পরিস্থিতিতে জনাব হক আশা করেন জাতীয় তরুণ সংঘের থাকবে আধুনিক মানসম্মত গবেষণাগার, লাইব্রেরী, খেলাধুলা ইত্যাদির ব্যবস্থা।
তিনি যুব সমাজকে বিভিন্ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় তরুণ সংঘের মাধ্যমে দেশব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। দেশের আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে যুব সমাজকে বিভিন্ন স্বকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এবং যুব সম্প্রদায়কে আত্ম-নির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যুব সমাজের পক্ষে অবদান রাখায় জাতীয় তরুণ সংঘের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্জ মোহাম্মদ ফজলুল হককে ১৯৮৭ সনে আন্তর্জাতিকভাবে ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যুব সমাজকর্মী পদক’ প্রদান করা হয়। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদে নিয়োজিত থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
head-659652_960_720

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

চেয়ারম্যান

চেয়ারম্যানের কিছু কথা

প্রথমেই স্মরণ করছি সেই ব্যক্তিদের যাঁদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি এবং যাঁদের আন্তরিক সদিচ্ছা ও দূরদর্শী চিন্তার মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠেছে। যাঁরা প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘদিন জড়িত থেকে জনকল্যাণে কাজ করেছেন তাঁদের অবদান ও আন্তরিকতার কথাও স্মরণ করছি। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আজকে আমাদের মাঝে নেই। আমি তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং যাঁরা জীবিত আছেন তাঁদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
 
জাতীয় তরুণ সংঘের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্বলিত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।
 
পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগ থানার অন্তর্গত হাজারীবাগের কতিপয় উত্সাহী তরুণ ১৯৬৬ সনের ১ অক্টোবর ‘হাজারীবাগ তরুণ সংঘ’ নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গঠন করেন যা বর্তমানে ‘জাতীয় তরুণ সংঘ’ নামে দেশব্যাপী পরিচিত। তত্কালীন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ২২ নং হাজারীবাগ রোডস্থ একটি ছোট ঘর মাত্র ১০.০০ টাকায় মাসিক ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে বিভিন্ন রকম জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম যেমন- পাঠাগার, নৈশ বিদ্যালয় ইত্যাদি স্থাপন করা হয়। অল্প দিনের মধ্যে সংগঠনটি এলাকায় বেশ সুনাম অর্জন করে এবং বহুগুণী জনের সমাবেশ ঘটায়। সংগঠনটি ১৯৬৮ সনে তত্কালীন পাকিস্তান সরকারের সমাজকল্যাণ বিভাগ কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশন লাভ করে। যার রেজি নম্বর- ২৪৪৮। অতঃপর ১৯৬৯ এর গণ আন্দোলন, ১৯৭১ সনের মুক্তিযুদ্ধে অনেক সদস্য সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে। স্বাধীনতার পর দেশ গড়ার কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য দেশে বিদেশে সুনাম অর্জন করে এবং এর কার্যক্রম সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর শাখা বিস্তার হয়। যার প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ বিভাগ একমাত্র জাতীয় ভিত্তিক যুব ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন করে। যার নিবন্ধন নম্বর- ১২।
 
বর্তমান কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেই সম্মানিত সদস্যবৃন্দকে নিয়ে জাতীয় তরুণ সংঘের একটি কর্মকৌশল পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছি। তার সাথে সামঞ্জস্য রেখেই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সেই ক্ষেত্রে সময়ের দাবি ও প্রণীত কর্মপরিকল্পনা মতে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। সেজন্য প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম জোরদার, প্রশিক্ষণ-পারিবাশির্^ক পর্যবেক্ষণ, সেমিনার, ওয়ার্কসপ, গবেষণা, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা, বিশেষ শিক্ষা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রয়োজনানুসারে প্রকল্প সম্প্রসারণ করা হবে।
 
জাতীয় তরুণ সংঘ দেশীয় ও বিদেশী দাতা সংস্থার এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সহায়তায় সারা দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। তাছাড়া বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশে প্রতিনিধি দল প্রেরণের মাধ্যমে বিদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সদস্য পদ লাভসহ সম্পর্ক গড়ে তোলে। বর্তমানে সংগঠনটি বিশ্ব যুব সংস্থা (WAY) এবং আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্য প্রতিরোধ সংস্থা (IOGT) এর অন্যতম সদস্য। এছাড়াও যুব মন্ত্রণালয় স্থাপনে জাতীয় তরুণ সংঘ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 
 
সংগঠনটির সারা দেশে রয়েছে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। যেমন- প্যারামেডিক্স ট্রেনিং সেন্টার, যুব নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ইত্যাদি। বিদেশী দাতা সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত জাতস-এসএসএফপি (সূর্যের হাসি ক্লিনিক) প্রকল্পের মাধ্যমে অবহেলিত, হতদরিদ্র ও দুঃস্থ অসহায় রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসছে।
 
আসুন আমরা সকলে মিলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করি। আপনাদের সহায়তা পেলে অবশ্যই আমাদের সাফল্য আরো বৃদ্ধি লাভ করবে। সকলের অঙ্গীকার হোক যেন দেশের মানুষের প্রাণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে একে আমরা একযোগে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। আজকের এ শুভ দিনে প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি রইল আমার আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভ কামনা।
head-659652_960_720
মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন

মহাসচিব, জাতস

মহাসচিবের কথা

জন্মিলে মৃত্যু হয় এ কথাটি চিরন্তন সত্য। এটাই শ্রষ্টার বিধান। আর শ্রষ্টাই তার সৃষ্ট জীবকে কিছু করণীয় দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশেষ করে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষকে তাঁর নৈকট্য পাওয়ার জন্য দিয়েছেন কিছু বিধান। আর মানুষ সেই বিধান অনুযায়ী মহান সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভের আশায় শ্রষ্টার দেয়া বিধানগুলি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চায়। তন্মধ্যে মানবসেবা অন্যতম। আর এ মানবসেবার মূলে রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শিক্ষা ছাড়া কোন সমাজ বা জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কথাটি সামনে রেখে বিশিষ্ট সমাজসেবক, বিদ্যানুরাগী ব্যক্তিগণ যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে এলাকার তথা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ইত্যাদির জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন তাঁদের অবদানের কথা নিশ্চয় শ্রদ্ধাভরে আমাদের স্মরণ করতে হবে। তাঁদের দেয়া পরামর্শমূলক দিক নির্দেশনা আমাদের চলার পথে পাথেয় হয়ে থাকবে। বিশেষ করে জাতীয় তরুণ সংঘের বর্তমান পর্যায়ে আসার পিছনে যাঁরা উপদেশ, পরামর্শ, শ্রম, মেধা এবং আর্থিক সাহায্য সহযোগিতাসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের অনেকেই আজ আমাদের মাঝে জীবিত নেই। আজকের এ শুভ দিনে আমরা তাঁদেরকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। স্মরণ করছি তাঁদের অবদানের কথা। প্রার্থনা করছি সৃষ্টিকর্তার নিকট তাঁদের এ মানবসেবার অবদানের জন্য। তাঁরা কে কোথায় এবং কি অবস্থায় আছেন তা আমাদের জানা নেই। তবে যেভাবেই থাকুন না কেন সৃষ্টিকর্তা যেন তাঁদের আত্মাকে শান্তিতে রাখেন। আর যাঁরা জীবিত আছেন তাঁদের সুস্থ্য জীবন এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ আমাদের সকল ভাল কাজের সহায় হোন।
Close Menu

Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/jtsbdorg/public_html/wp-includes/functions.php on line 4552